০৩:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের

জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে। একই সময়ে কুয়েতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। তেহরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক হামলার জবাবে প্রতিশোধমূলক অভিযান চলতে থাকবে। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক মিসাইল দিয়ে হামলার দাবি করা হলেও ইরান থেকে ছোড়া চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে বলে জর্ডান জানিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জর্ডানের ওই বিমানঘাঁটিতে থাকা ‘আমেরিকান শত্রুর একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অবস্থান’ লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, ওই স্থাপনাটি ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ব্যবহৃত হয়েছিল। সে কারণে ‘আমেরিকান অপরাধীদের কর্মকাণ্ডের শাস্তি দিতেই’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে

এর আগে ইরান ও জর্ডান— উভয় দেশই হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে। তবে জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী জানায়, দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশ করা ইরান থেকে ছোড়া চারটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ভূপাতিত করা হয়েছে।

জর্ডানের সরকারি বার্তাসংস্থা পেট্রা জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া চারটি ক্ষেপণাস্ত্র দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশ করলে সেগুলো ধ্বংস করে দেয় জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী। এদিকে তেহরান থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক তৌহিদ আসাদি জানিয়েছেন, সোমবার রাতেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দক্ষিণ উপকূলজুড়ে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্য ছিল কয়েকটি শহর ও দ্বীপ। তিনি জানান, মঙ্গলবার ভোররাতে আবু মুসা ও কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। তবে এবার নতুন করে কিশ দ্বীপেও বিস্ফোরণের খবর মিলেছে।এছাড়া ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র বন্দর আব্বাসেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলেও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। কোনারাক ও চাবাহারে আগের রাতগুলোর মতোই বিস্ফোরণের খবর এসেছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো থাকা বুশেহর ও খুজেস্তান প্রদেশ থেকেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।

জনপ্রিয়

জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের

প্রকাশের সময় : ০৮:১২:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে। একই সময়ে কুয়েতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। তেহরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক হামলার জবাবে প্রতিশোধমূলক অভিযান চলতে থাকবে। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক মিসাইল দিয়ে হামলার দাবি করা হলেও ইরান থেকে ছোড়া চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে বলে জর্ডান জানিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জর্ডানের ওই বিমানঘাঁটিতে থাকা ‘আমেরিকান শত্রুর একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অবস্থান’ লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, ওই স্থাপনাটি ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ব্যবহৃত হয়েছিল। সে কারণে ‘আমেরিকান অপরাধীদের কর্মকাণ্ডের শাস্তি দিতেই’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে

এর আগে ইরান ও জর্ডান— উভয় দেশই হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে। তবে জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী জানায়, দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশ করা ইরান থেকে ছোড়া চারটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ভূপাতিত করা হয়েছে।

জর্ডানের সরকারি বার্তাসংস্থা পেট্রা জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া চারটি ক্ষেপণাস্ত্র দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশ করলে সেগুলো ধ্বংস করে দেয় জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী। এদিকে তেহরান থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক তৌহিদ আসাদি জানিয়েছেন, সোমবার রাতেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দক্ষিণ উপকূলজুড়ে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্য ছিল কয়েকটি শহর ও দ্বীপ। তিনি জানান, মঙ্গলবার ভোররাতে আবু মুসা ও কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। তবে এবার নতুন করে কিশ দ্বীপেও বিস্ফোরণের খবর মিলেছে।এছাড়া ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র বন্দর আব্বাসেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলেও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। কোনারাক ও চাবাহারে আগের রাতগুলোর মতোই বিস্ফোরণের খবর এসেছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো থাকা বুশেহর ও খুজেস্তান প্রদেশ থেকেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।