০১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
Noakhali edition

হিজবুত তাওহীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন নিয়ে মুখ খুললেন শিবির সভাপতি মুজাহিদ


এটি অত্যন্ত ভালো উদ্যোগ এবং সময়ের দাবি। যতটুকু জানি, আগামীকাল জামায়াতে ইসলামীর নোয়াখালী জেলা এবং বিভিন্ন উপজেলায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচি থাকা সত্ত্বেও নিজেদের কর্মসূচি পরিবর্তন করেছে জামায়াতে ইসলামী।

কিন্তু যে বিষয় নিয়ে আলাপ করতে চাচ্ছি, ২০১৬ সালেও হিজবুত তাওহীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়েছে। সোনাইমুড়ী চাষিরহাটে অবস্থিত তাদের বাড়ি এবং স্থাপনায় আগুন দেওয়া হয়েছিল,তাদের কয়েকজন মানুষ মারা গিয়েছিল আগুনে পুড়ে । আজকে শুনতে পারলাম, সে আন্দোলনের একটি কমিটি ছিল, যে কমিটিতে কিছু আলেম-উলামা এবং সোনাইমুড়ী উপজেলার তৎকালীন আওয়ামী লীগের নেতারা ছিল, তারাই নেতৃত্ব দিয়েছিল।
আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, ওই ঘটনার পর হিজবুত তাওহীদের যে মামলা হয়েছিল, তার এক নম্বর আসামি করা হয়েছিল সম্ভবত সোনাইমুড়ী উপজেলা জামায়াতের আমির জনাব হানিফ মোল্লা ভাইয়ের নামে। এবং এই মামলায় জড়ানো হয়েছে ৬০০-এর অধিক জামায়াত, ছাত্রশিবির ও বিএনপির নেতাকর্মীকে। এই মামলায় অনেকে মাসের পর মাস কারাবরণ করেছে, আজ অব্দি বছরের পর বছর কোর্টের বারান্দায় ধরনা দিচ্ছে। কিন্তু যারা নেতৃত্ব দিয়েছিল সেদিন, তারা সম্পূর্ণ এই মামলার ধরাছোঁয়ার বাইরে।
হিজবুত তাওহীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা এটা ঈমানের দাবি, কিন্তু যাদের নামে মামলা হয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতন সহ্য করে আসছে, তাদের খোঁজখবর নেওয়া কিংবা এই মামলা নিয়ে কথা বলা কি ঈমানের দাবি নয়?
২০১৬ সালে যে কমিটির উদ্যোগে আন্দোলন হয়েছে, তারা কি আজ পর্যন্ত মামলা-খাওয়া ভুক্তভোগীদের খোঁজখবর নিয়েছেন, অথবা এই বিষয়ে কোনো কথা বলেছেন?
প্রশ্ন রেখে গেলাম…
মুজাহিদুল ইসলাম
সভাপতি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির নোয়াখালী জেলা উত্তর শাখা

জনপ্রিয়

Noakhali edition

হিজবুত তাওহীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন নিয়ে মুখ খুললেন শিবির সভাপতি মুজাহিদ

প্রকাশের সময় : ০১:২১:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

এটি অত্যন্ত ভালো উদ্যোগ এবং সময়ের দাবি। যতটুকু জানি, আগামীকাল জামায়াতে ইসলামীর নোয়াখালী জেলা এবং বিভিন্ন উপজেলায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচি থাকা সত্ত্বেও নিজেদের কর্মসূচি পরিবর্তন করেছে জামায়াতে ইসলামী।

কিন্তু যে বিষয় নিয়ে আলাপ করতে চাচ্ছি, ২০১৬ সালেও হিজবুত তাওহীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়েছে। সোনাইমুড়ী চাষিরহাটে অবস্থিত তাদের বাড়ি এবং স্থাপনায় আগুন দেওয়া হয়েছিল,তাদের কয়েকজন মানুষ মারা গিয়েছিল আগুনে পুড়ে । আজকে শুনতে পারলাম, সে আন্দোলনের একটি কমিটি ছিল, যে কমিটিতে কিছু আলেম-উলামা এবং সোনাইমুড়ী উপজেলার তৎকালীন আওয়ামী লীগের নেতারা ছিল, তারাই নেতৃত্ব দিয়েছিল।
আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, ওই ঘটনার পর হিজবুত তাওহীদের যে মামলা হয়েছিল, তার এক নম্বর আসামি করা হয়েছিল সম্ভবত সোনাইমুড়ী উপজেলা জামায়াতের আমির জনাব হানিফ মোল্লা ভাইয়ের নামে। এবং এই মামলায় জড়ানো হয়েছে ৬০০-এর অধিক জামায়াত, ছাত্রশিবির ও বিএনপির নেতাকর্মীকে। এই মামলায় অনেকে মাসের পর মাস কারাবরণ করেছে, আজ অব্দি বছরের পর বছর কোর্টের বারান্দায় ধরনা দিচ্ছে। কিন্তু যারা নেতৃত্ব দিয়েছিল সেদিন, তারা সম্পূর্ণ এই মামলার ধরাছোঁয়ার বাইরে।
হিজবুত তাওহীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা এটা ঈমানের দাবি, কিন্তু যাদের নামে মামলা হয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতন সহ্য করে আসছে, তাদের খোঁজখবর নেওয়া কিংবা এই মামলা নিয়ে কথা বলা কি ঈমানের দাবি নয়?
২০১৬ সালে যে কমিটির উদ্যোগে আন্দোলন হয়েছে, তারা কি আজ পর্যন্ত মামলা-খাওয়া ভুক্তভোগীদের খোঁজখবর নিয়েছেন, অথবা এই বিষয়ে কোনো কথা বলেছেন?
প্রশ্ন রেখে গেলাম…
মুজাহিদুল ইসলাম
সভাপতি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির নোয়াখালী জেলা উত্তর শাখা