০১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
Noakhali edition

কেশবপুরে চলাচলের পথ অবরুদ্ধ: দেয়াল অপসারণ ও সড়ক উদ্ধারের দাবিতে আড়াই শতাধিক মানুষের মানববন্ধন

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নে শত বছরের পুরোনো গ্রামীণ রাস্তা দখল করে সীমানা প্রাচীর (দেয়াল) নির্মাণের অভিযোগে এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কেশবপুর বড় বাড়িতে গ্রামের সংযোগ সড়কটি পুনর্দখল ও স্বাভাবিক চলাচলের দাবিতে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় শত শত নারী-পুরুষ অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তব্য প্রদানকালে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, কেশবপুর বড় বাড়িতে বর্তমানে প্রায় দুই হাজার মানুষের বসবাস। গ্রামটির পদিপাড়া রোডে অবস্থিত ঈদগাহ মাঠ থেকে ফোরকানিয়া মাদ্রাসা পার হয়ে বড় বাড়ির ওপর দিয়ে দক্ষিণ জামে মসজিদ হয়ে আমিনবাজার সড়কের সাথে যুক্ত হয়েছে এই ঐতিহাসিক পথটি। শুধু চলাচলের মাধ্যমই নয়, পথটির পাশেই রয়েছে গ্রামের সবচেয়ে বড় কবরস্থান। অভিযোগ উঠেছে, পূর্বপুরুষদের আমল থেকে ব্যবহৃত এই পুরোনো রাস্তাটি সম্প্রতি রাতের আঁধারে বহিরাগত সন্ত্রাসী এনে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের মাধ্যমে দখলে নেন একই বাড়ির মনা মিয়া মাস্টারের ছেলে মোর্শেদ আলম পান্টু ও জাকির হোসেন নয়ন। বক্তারা আরও জানান, সড়কটির অন্যান্য অংশ সরকারি বরাদ্দে সিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে উন্নত করা হলেও এই দখলকৃত অংশে উন্নয়নকাজ আটকে আছে। দখলদারদের বাধার কারণে সেখানে কোনো কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী ভুক্তভোগী নারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেয়াল নির্মাণের কারণে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে পুরো এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা। অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া, মৃত ব্যক্তির লাশ কবরস্থানে বহন করা কিংবা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত এখন চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় সড়কটি পুনরুদ্ধার ও যাতায়াত ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে স্থানীয় দুই শতাধিক অধিবাসীর স্বাক্ষরসংবলিত একটি লিখিত অভিযোগপত্র সোনাইমুড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর জমা দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মোর্শেদ আলম পান্টু ও জাকির হোসেন নয়নের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের নিকটাত্মীয়রা জানান, তারা বর্তমানে নোয়াখালীতে অবস্থান করছেন না।

 

 

জনপ্রিয়

Noakhali edition

কেশবপুরে চলাচলের পথ অবরুদ্ধ: দেয়াল অপসারণ ও সড়ক উদ্ধারের দাবিতে আড়াই শতাধিক মানুষের মানববন্ধন

প্রকাশের সময় : ০৪:১৩:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নে শত বছরের পুরোনো গ্রামীণ রাস্তা দখল করে সীমানা প্রাচীর (দেয়াল) নির্মাণের অভিযোগে এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কেশবপুর বড় বাড়িতে গ্রামের সংযোগ সড়কটি পুনর্দখল ও স্বাভাবিক চলাচলের দাবিতে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় শত শত নারী-পুরুষ অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তব্য প্রদানকালে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, কেশবপুর বড় বাড়িতে বর্তমানে প্রায় দুই হাজার মানুষের বসবাস। গ্রামটির পদিপাড়া রোডে অবস্থিত ঈদগাহ মাঠ থেকে ফোরকানিয়া মাদ্রাসা পার হয়ে বড় বাড়ির ওপর দিয়ে দক্ষিণ জামে মসজিদ হয়ে আমিনবাজার সড়কের সাথে যুক্ত হয়েছে এই ঐতিহাসিক পথটি। শুধু চলাচলের মাধ্যমই নয়, পথটির পাশেই রয়েছে গ্রামের সবচেয়ে বড় কবরস্থান। অভিযোগ উঠেছে, পূর্বপুরুষদের আমল থেকে ব্যবহৃত এই পুরোনো রাস্তাটি সম্প্রতি রাতের আঁধারে বহিরাগত সন্ত্রাসী এনে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের মাধ্যমে দখলে নেন একই বাড়ির মনা মিয়া মাস্টারের ছেলে মোর্শেদ আলম পান্টু ও জাকির হোসেন নয়ন। বক্তারা আরও জানান, সড়কটির অন্যান্য অংশ সরকারি বরাদ্দে সিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে উন্নত করা হলেও এই দখলকৃত অংশে উন্নয়নকাজ আটকে আছে। দখলদারদের বাধার কারণে সেখানে কোনো কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী ভুক্তভোগী নারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেয়াল নির্মাণের কারণে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে পুরো এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা। অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া, মৃত ব্যক্তির লাশ কবরস্থানে বহন করা কিংবা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত এখন চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় সড়কটি পুনরুদ্ধার ও যাতায়াত ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে স্থানীয় দুই শতাধিক অধিবাসীর স্বাক্ষরসংবলিত একটি লিখিত অভিযোগপত্র সোনাইমুড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর জমা দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মোর্শেদ আলম পান্টু ও জাকির হোসেন নয়নের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের নিকটাত্মীয়রা জানান, তারা বর্তমানে নোয়াখালীতে অবস্থান করছেন না।