১১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
Noakhali edition

মা’দক ব্যবসায়ী রাকিবের মা’রধরের শিকার রিকসা চালক, প্র’তিবাদ করায় অপপ্রচারের স্বীকার ছাত্রদল সভাপতি রাশেদ।

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে তুচ্ছ অটোরিকশা ভাড়া নিয়ে তৈরি হওয়া একটি বিরোধ মীমাংসা করতে গিয়ে উল্টো রাজনৈতিক অপপ্রচারের শিকার হয়েছেন দেওটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদ আলম।♦

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মাধ্যমে জানা যায়, সম্প্রতি নূর হোসেনের বড় ছেলে রাকিবের সাথে রিকশাচালক বেলাল হোসেনের বাবা দীন মোহাম্মদের অটোরিকশা ভাড়া নিয়ে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। বাকবিতণ্ডা যখন তীব্র আকার ধারণ করে, ঠিক সেই মুহূর্তে ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন দেওটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদ আলম।

সাধারণ পথচারী ও একজন দায়িত্বশীল স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে দুই পক্ষের মধ্যকার উত্তেজনা প্রশমনে এগিয়ে যান রাশেদ আলম। তিনি অত্যন্ত শালীন ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে উভয় পক্ষকে বুঝিয়ে পুরো বিষয়টি সেখানেই সুন্দরভাবে মীমাংসা করে দেন এবং ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

তবে ঘটনার এখানেই শেষ নয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিরোধ মীমাংসা হয়ে যাওয়ার পরও পরবর্তীতে নূর হোসেনের বড় ছেলে রাকিব অসৎ উদ্দেশ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছাত্রদল নেতা রাশেদ আলমের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর প্রোপাগান্ডা ছড়াতে শুরু করেন। ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে মোড় ঘুরিয়ে রাশেদ আলমের রাজনৈতিক ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করাই এর মূল উদ্দেশ্য বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, “রাশেদ আলম কেবল একজন শান্তিকামী হিসেবে দুটো মানুষকে ঝগড়া থেকে নিরস্ত করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর এই ভালো উদ্যোগকে পুঁজি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত।”

জনপ্রিয়

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে দেওটি ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা সাইফুল ইসলামের গণসংযোগ ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত

Noakhali edition

মা’দক ব্যবসায়ী রাকিবের মা’রধরের শিকার রিকসা চালক, প্র’তিবাদ করায় অপপ্রচারের স্বীকার ছাত্রদল সভাপতি রাশেদ।

প্রকাশের সময় : ০৬:১৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে তুচ্ছ অটোরিকশা ভাড়া নিয়ে তৈরি হওয়া একটি বিরোধ মীমাংসা করতে গিয়ে উল্টো রাজনৈতিক অপপ্রচারের শিকার হয়েছেন দেওটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদ আলম।♦

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মাধ্যমে জানা যায়, সম্প্রতি নূর হোসেনের বড় ছেলে রাকিবের সাথে রিকশাচালক বেলাল হোসেনের বাবা দীন মোহাম্মদের অটোরিকশা ভাড়া নিয়ে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। বাকবিতণ্ডা যখন তীব্র আকার ধারণ করে, ঠিক সেই মুহূর্তে ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন দেওটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদ আলম।

সাধারণ পথচারী ও একজন দায়িত্বশীল স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে দুই পক্ষের মধ্যকার উত্তেজনা প্রশমনে এগিয়ে যান রাশেদ আলম। তিনি অত্যন্ত শালীন ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে উভয় পক্ষকে বুঝিয়ে পুরো বিষয়টি সেখানেই সুন্দরভাবে মীমাংসা করে দেন এবং ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

তবে ঘটনার এখানেই শেষ নয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিরোধ মীমাংসা হয়ে যাওয়ার পরও পরবর্তীতে নূর হোসেনের বড় ছেলে রাকিব অসৎ উদ্দেশ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছাত্রদল নেতা রাশেদ আলমের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর প্রোপাগান্ডা ছড়াতে শুরু করেন। ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে মোড় ঘুরিয়ে রাশেদ আলমের রাজনৈতিক ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করাই এর মূল উদ্দেশ্য বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, “রাশেদ আলম কেবল একজন শান্তিকামী হিসেবে দুটো মানুষকে ঝগড়া থেকে নিরস্ত করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর এই ভালো উদ্যোগকে পুঁজি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত।”